আপনার দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রায় ৩৫০ শব্দের সংবাদটি সাজিয়ে দিলাম।
পশ্চিম বর্ধমানে কংগ্রেসের নতুন জেলা সভাপতি হরজিৎ সিং, দুই গোষ্ঠীকে একসঙ্গে নিয়ে চলার বার্তা
আসানসোল: পশ্চিম বর্ধমান জেলা কংগ্রেস সংগঠনে বড়সড় রদবদল করে নতুন জেলা সভাপতি করা হয়েছে হরজিৎ সিংকে। দায়িত্ব পাওয়ার পরই নতুন ও পুরনো সংগঠনের নেতাকর্মীদের একসঙ্গে নিয়ে কংগ্রেসকে শক্তিশালী করার বার্তা দিয়েছেন তিনি।
হরজিৎ সিং বলেন, আসানসোল ও দুর্গাপুরে গত কয়েকটি নির্বাচনে কংগ্রেসের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় তৈরি করার চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতিও চান দল ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করুক। তিনি দুই পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কংগ্রেসকে আরও শক্তিশালী করতে পারবেন বলে আশাবাদী।
তৃণমূল কংগ্রেস থেকে অনেক নেতা-কর্মী কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে হরজিৎ সিং বলেন, এর ফলে কংগ্রেসের ‘তৃণমূলীकरण’ হওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। তাঁর দাবি, অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কংগ্রেসকে দুর্বল করার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি। বরং বর্তমানে বিভিন্ন দল থেকে মানুষ কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন এবং আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসই সবচেয়ে শক্তিশালী দল হয়ে উঠবে বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে, বার্নপুরের কারখানায় প্রায় দশ দিন পর হতে চলা ইউনিয়ন নির্বাচন নিয়েও মুখ খোলেন হরজিৎ সিং। তিনি জানান, ঐতিহাসিক এই কারখানার সঙ্গে শ্রমিকদের দীর্ঘ আন্দোলনের ইতিহাস রয়েছে। তাঁর দাবি, ইন্দিরা গান্ধীর আমলে কারখানাটি রাষ্ট্রায়ত্ত হওয়ার পর সেলের সহযোগী সংস্থায় পরিণত হয়। পুরনো প্রযুক্তির কারণে একসময় উৎপাদন কমে যায় এবং কারখানাটি দীর্ঘদিন BIFR-এর অধীনে ছিল।
হরজিৎ সিংয়ের দাবি, কংগ্রেসের নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে এবং আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ আনা হয়েছিল। এর ফলে কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বর্তমানে এটি লাভজনক ও সেলের অন্যতম সেরা কারখানা হিসেবে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, এতদিন কারখানার স্বার্থে ইউনিয়ন নির্বাচন না হলেও এবার নির্বাচনের সময় এসেছে। বার্নপুরের শ্রমিক-কর্মীরা ইন্টকের ভূমিকা সম্পর্কে অবগত। তাই আসন্ন নির্বাচনে ইন্টক শক্তভাবে লড়াই করে ৫১ শতাংশ ভোট পাওয়ার লক্ষ্য পূরণ করবে বলে তিনি আশাবাদী।
